১২:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাগেরহাটে বেড়িবাঁধে অব্যবস্থাপনায় দুর্ভোগে ৪শত পরিবার

সারাবাংলা২৪নিউজ ডেস্ক,ঢাকা
  • প্রকাশ : ০৪:৩৮:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২০
  • / 38

ইলিয়াস সরদার,বাগেরহাট 
মোরেলগঞ্জে ওয়াবদার বেরিবাঁধে অব্যবস্থাপনায় দুর্ভোগে পড়েছেন কমপক্ষে ৪শত পরিবার। বলেশ্বর নদীর তীরবর্তী খাউলিয়া ইউনিয়নের কুমারখালী গ্রামটিকে সুরক্ষা দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ৩৫/১ পোল্ডারের বেরিবাঁধ। বাঁধটি উন্নয়নের কাজ এখন চলছে। চলমান ওই কাজে বাঁধের কুমারখালী, ফাশিয়াতলা ও উত্তর কুমারখালী এলাকার ফ্লাশিং গেট (পানি নিস্কাশনের গেট) ৩টি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
ফলে, জলোচ্ছাসে ঢুকে পড়া পানি আটকে থাকে লোকালয়ে। ২/৩ সপ্তাহ ধরে মানুষের ঘরে থাকে পানি। বন্ধ থাকে রান্না। বিপর্যস্ত হয় স্বাভাবিক জীবন যাপন। এ ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার বিকেল ৪টায় কুমারখালী বেরিবাঁধে ঘন্টাব্যাপি বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন ভূক্তভোগীরা। আজ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দায়ের করেছেন তারা।
অভিযোগে বলা হয়েছে, ৬০ বছর ধরে কুমারখালী এলাকায় ফাশিং গেট চালু ছিল। চলমান উন্নয়ন কাজের সময় তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে ৪শ’ পরিবার পানিবন্দী। ৫০টি ঘের ও ২শ’ একর জমির ফসল ধ্বংস হয়েছে। একই বেরিবাঁধের ফাসিয়াতলা ও দক্ষিণ কুমারখালী গ্রামের ফাশিং গেট দুটিও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সেসব গ্রামেও অনুরূপ দুর্ভোগে আছেন শতশত পরিবার।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। সহকারি কমিশনারকে (ভূমি) তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।
কর্তব্যরত প্রকল্প প্রকৌশলী মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, ডিজাইন অনুযায়ী কাজ শেষের পথে। ইতোপূর্বে বিষয়টি কেউ বলেনি। এখন সরেজমিনে দেখে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।
এ সম্পর্কে পানি উন্নয়ন বোর্ড খুলনা বিভাগীয় নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আশরাফ হোসেন বলেন, ৩৫/১ পোল্ডারের এ বেরিবাঁধটি উন্নয়নের কাজ প্রায় শেষের দিকে। যখন সার্ভে হয়েছে তখন হয়তো ওই গেটগুলো বাদ পড়েছে। এই মুহুর্তে কিছু করার নেই। তবে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

বাগেরহাটে বেড়িবাঁধে অব্যবস্থাপনায় দুর্ভোগে ৪শত পরিবার

প্রকাশ : ০৪:৩৮:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২০

ইলিয়াস সরদার,বাগেরহাট 
মোরেলগঞ্জে ওয়াবদার বেরিবাঁধে অব্যবস্থাপনায় দুর্ভোগে পড়েছেন কমপক্ষে ৪শত পরিবার। বলেশ্বর নদীর তীরবর্তী খাউলিয়া ইউনিয়নের কুমারখালী গ্রামটিকে সুরক্ষা দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ৩৫/১ পোল্ডারের বেরিবাঁধ। বাঁধটি উন্নয়নের কাজ এখন চলছে। চলমান ওই কাজে বাঁধের কুমারখালী, ফাশিয়াতলা ও উত্তর কুমারখালী এলাকার ফ্লাশিং গেট (পানি নিস্কাশনের গেট) ৩টি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
ফলে, জলোচ্ছাসে ঢুকে পড়া পানি আটকে থাকে লোকালয়ে। ২/৩ সপ্তাহ ধরে মানুষের ঘরে থাকে পানি। বন্ধ থাকে রান্না। বিপর্যস্ত হয় স্বাভাবিক জীবন যাপন। এ ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার বিকেল ৪টায় কুমারখালী বেরিবাঁধে ঘন্টাব্যাপি বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন ভূক্তভোগীরা। আজ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দায়ের করেছেন তারা।
অভিযোগে বলা হয়েছে, ৬০ বছর ধরে কুমারখালী এলাকায় ফাশিং গেট চালু ছিল। চলমান উন্নয়ন কাজের সময় তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে ৪শ’ পরিবার পানিবন্দী। ৫০টি ঘের ও ২শ’ একর জমির ফসল ধ্বংস হয়েছে। একই বেরিবাঁধের ফাসিয়াতলা ও দক্ষিণ কুমারখালী গ্রামের ফাশিং গেট দুটিও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সেসব গ্রামেও অনুরূপ দুর্ভোগে আছেন শতশত পরিবার।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। সহকারি কমিশনারকে (ভূমি) তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।
কর্তব্যরত প্রকল্প প্রকৌশলী মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, ডিজাইন অনুযায়ী কাজ শেষের পথে। ইতোপূর্বে বিষয়টি কেউ বলেনি। এখন সরেজমিনে দেখে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।
এ সম্পর্কে পানি উন্নয়ন বোর্ড খুলনা বিভাগীয় নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আশরাফ হোসেন বলেন, ৩৫/১ পোল্ডারের এ বেরিবাঁধটি উন্নয়নের কাজ প্রায় শেষের দিকে। যখন সার্ভে হয়েছে তখন হয়তো ওই গেটগুলো বাদ পড়েছে। এই মুহুর্তে কিছু করার নেই। তবে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হবে।