০৩:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
নোয়াখালীতে গৃহবধূকে গনধর্ষনের অভিযোগ
সারাবাংলা২৪নিউজ ডেস্ক,ঢাকা
- প্রকাশ : ০৫:৫৫:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২০
- / 41
মোজাম্মেল হক,চাটখিল(নোয়াখালী)
নোয়াখালী কবিরহাট উপজেলার ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন(২০)এক গৃহবধু। এসময় ধর্ষণকারীদের হামলায় ওই নারীর স্বামীসহ দুই জন আহত হয়েছেন। বাড়ি করার জন্য জায়গা ক্রয় করতে এসে সমাজ কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দাবিকৃত চাঁদার টাকা দিয়েও গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ গৃহবধূর। ঘটনায় শনিবার বিকেলে ওই নারী বাদী হয়ে কবিরহাট থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। অভিযোগ সূএে জানা যায় গত ৩ জুন বুধবার বিকেলে পাশ্ববর্তী সুবর্ণচর উপজেলার চরবৈশাখী গ্রাম থেকে কবিরহাট উপজেলার ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের পূর্ব নবগ্রামের এক আত্মীয়ের বাড়িতে আসেন গৃহবধূ(২০)ও তার স্বামী(২৬)।কাজ শেষ না হওয়ার ওই আত্মীয়ের বাড়িতে রাতে অবস্থান করেন তারা। রাত সাড়ে ৯টার দিকে স্থানীয় সমাজ কমিটির সভাপতি আব্দুস সাওার ও সাধারণ সম্পাদক আবুল কালামের নেতৃত্বে ৬-৭ জন গৃহবধূর আত্মীয়ের বাড়িতে আসে। এসময় ঘরে ঢুকে এই দম্পতির মধ্যে সম্পর্ক অবৈধ বলে তাদের বিয়ের কাগজ পএ চায়। কিছু বুঝে উঠার আগে গৃহবধূ ও তার স্বামীকে আটক করে বাড়ির পাশে একটি যায়গায় নিয়ে তাদের সাথে থাকা টাকা ও মোবাইল ছিনিয়ে নিয়ে যায় তারা। সাওার ও কালাম তাদের ছেড়ে দিতে ওই দম্পতির কাছে মোটা অংকের টাকা দাবি করে। পরে ওই গৃহবধূর স্বামী তার খালাতো ভাইকে বিষয়টি মোবাইল ফোনে জানালে সেই ৩৫ হাজার টাকা মুক্তি পণ হিসেবে নিয়ে সাওারের হাতে দিয়ে আরও ২৫ হাজার টাকা পরে দিবে মর্মে একটি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করে। টাকা নিয়ে সাওার গৃহবধূকে নিরাপত্তা দিবে বলে তার মেয়ের বাড়িতে নিয়ে যায় এবং তার স্বামী ও খালাতো ভাইকে পিটিয়ে জখম করে। নির্যাতিতা গৃহবধূ অভিযোগ করে বলেন,রাত ১২ টার দিকে আমাকে নিতে খালাতো ভাই ও তার বউ এসেছে বলে সাওার তার মেয়ের বাড়ি থেকে আমাকে বের করে নিয়ে যায়। কিছু পথ যাওয়ার পর ফাঁকা রাস্তায় ৫-৬ জন লোকের হাতে আমাকে ছেড়ে দেয় সাওার। পরে রাস্তার পাশে একটি কলা বাগানে নিয়ে মাটিতে পেলে পালাক্রমে সাওারসহ সবাই আমাকে গণধর্ষণ করে। অচেতন অবস্থায় তারা পাশ্ববর্তী আজাদের দোকানের সামনের একটি বট গাছের নিচে আমাকে রেখে চলে যায়। সেখান থেকে লোকজনের সহযোগিতায় আমার স্বামী ও খালাতো ভাই আমাকে উদ্ধার করে। ধর্ষকদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি করেছেন নির্যাতিত ওই নারী। কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)মির্জা মোহাম্মদ হাসান মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন,ধর্ষণের অভিযোগ সাত জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছেন গৃহবধূ। আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। রবিবার সকালে ওই গৃহবধূকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হবে বলে জানান পুলিশ কর্মকর্তা।











